শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৩৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
নিরাপদ ও টেকসই ভবিষ্যৎ গড়তে জাতিসংঘে বিশ্বনেতাদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান কুমিল্লায় পুলিশের বিশেষ অভিযান, এক রাতেই আটক ৬২৪ ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠক সিলেটে বিএডিসির মেগা প্রকল্পে বদলাচ্ছে ১৭ হাজার হেক্টরের কৃষি ও হাওরের অর্থনীতি ক্ষমতার পালাবদলে বদলে গেল পরিচয়, রিকশা বশির এখন বিএনপিতে ট্রাম্পের নৈশভোজসহ প্রথম দিনে ১০ কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ থানার পেছনে ছিনতাই ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিলের পর ওসিকে বদলি জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইত্যাদি এবার নকশিকাঁথার জামালপুরে নিউইয়র্কের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সময় টিভির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সিইও আহমেদ জুবায়ের আওয়ামী ফ্যাসিবাদ হয়েও আবার সপদে !

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশ সময় : মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬

সময় টিভির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সিইও আহমেদ জুবায়ের ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে হেফাজত ইসলামের ৫৮জনকে হত্যাকান্ডের ঘটনায় অভিযুক্ত আসামী। বিগত আওয়ামী লীগ শাসনামলে সবচেয়ে সুবিধাভোগী একজন সাংবাদিক। হাসিনা রেজিম টিকিয়ে রাখতে এবং বিএনপির বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাতে সময়টিভিকে ব্যবহার করেছিলেন। ৫ আগস্ট হাসিনার পতনের পর আহমেদ জুবায়ের অপসারণ করা হয়। তিনি আওয়ামী লীগের সাবেক খাদমন্ত্রী কামরুল ইসলামের ভাগ্নে।

বিগত সরকারের এবং বর্তমান সরকারের প্রভাবশালী কারোর কারোর সহায়তায় আদালতের আদেশে কৌশলে সময়টিভিতে ঢুকে পড়েন। পরিচালক পদে দায়িত্ব শুরু করেন। সিটি গ্রুপের সাথে আলোচনা ছাড়াই ১৮০জনকে অবৈধভাবে নিয়োগ দেন। সেই আহমেদ জুবায়ের নেতৃত্বে পুরো সময়টিভি দখলের পাঁয়তারা। অথচ সময়টিভির বেশিরভাগ শেয়ারে মালিক সিটি গ্রুপ। বর্তমান সিইও জুবায়ের বাবু। তাকে সরিয়ে আহমেদ জুবায়ের সময়টিভি দখল নিতে চান।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, আহমেদ জুবায়েরের মতো প্রতিষ্ঠিত ফ্যাসিস্ট এবং হত্যা মামলার আসামীকে বিএনপির নামে কারা সমর্থন দিচ্ছেন? কিসের জন্য? কেন গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান দখল করতে হবে? প্রতিষ্ঠিত ফ্যাসিস্টকে কারা পুর্নবাসন শুরু করেছে। এসব খুঁজে বের করা জরুরি। এতো দ্রুত ফ্যাসিস্টরা স্বরুপ ফিরতে শুরু করলে বাংলাদেশে সাংবাদিকতা করা কঠিন হয়ে যাবে।

বিগত ১৭ বছর আহমেদ জুবায়েরদের মতো সাংবাদিকরা আমাদের গণতন্ত্র, বাকস্বাধীনতা এবং ভোটাধিকার জিম্মি করে রেখেছিলো। আমরা এতো দ্রুত তাদের ভুলি নাই। মিডিয়ার ঘাড়ে বন্দুক রেখে জনগণকে শোষন করেছিলো।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: মোঃ নাহিন খান
raytahost-tmnews71